ইতালি ওয়ার্ক ভিসায় যাওয়ার সঠিক উপায়

ইতালিতে বৈধভাবে কাজ করতে যেতে চাইলে প্রথমেই বুঝতে হবে প্রক্রিয়াটি কোথা থেকে শুরু হয়। অনেকেই ভাবেন আগে ভিসা আবেদন করতে হয়, পরে ইতালিতে গিয়ে কাজ খুঁজতে হয়। সাধারণ চাকরিভিত্তিক ওয়ার্ক ভিসায় বিষয়টি উল্টো। আগে ইতালিতে বৈধ নিয়োগকর্তা ও কাজের প্রস্তাব থাকতে হয়। এরপর নিয়োগকর্তা কাজের অনুমোদন বা নুল্লা ওস্তার আবেদন করেন, এবং সেটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশে ভিসা আবেদন এগোয়।

২০২৬ সালে ইতালি নতুন তিন বছর মেয়াদি ডিক্রেতো ফ্লুসি পরিকল্পনার প্রথম বছর বাস্তবায়ন করছে। মৌসুমি, অমৌসুমি ও স্বনিয়োজিত কাজের জন্য আলাদা কোটা রয়েছে। বাংলাদেশ নির্ধারিত দেশগুলোর তালিকায় থাকলেও বাংলাদেশি কর্মীদের নুল্লা ওস্তায় অতিরিক্ত যাচাই প্রযোজ্য। তাই একটি নুল্লা ওস্তা হাতে পাওয়া মানেই ভিসা নিশ্চিত নয়।

এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো “ভিসা কেনা” নয়, বরং বৈধ চাকরি, যাচাইযোগ্য নিয়োগকর্তা এবং সরকারি ধাপ অনুসরণ করা। শুরুতেই চাকরির প্রস্তাব ও নিয়োগকর্তার সত্যতা যাচাই করতে পারলে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি এড়ানো যায়।

২০২৬ সালে ইতালির কাজের ভিসা ব্যবস্থা

২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের ডিক্রেতো ফ্লুসি পরিকল্পনায় মোট ৪,৯৭,৫৫০ জন বিদেশি কর্মীর প্রবেশের সুযোগ নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের জন্য মোট ১,৬৪,৮৫০টি প্রবেশ অনুমোদিত: অমৌসুমি চাকরিতে ৭৬,২০০, স্বনিয়োজিত কাজে ৬৫০ এবং মৌসুমি কাজে ৮৮,০০০। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশ, খাত ও বিশেষ কোটার মধ্যে ভাগ করা; কোনো একক দেশের জন্য নয়। তাই “বাংলাদেশের জন্য এত লাখ ভিসা” ধরনের দাবি সরকারি কাঠামোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি।

সঠিক প্রক্রিয়া চাকরির অফার দিয়ে শুরু হয়

সাধারণ অমৌসুমি বা মৌসুমি চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনকারী নিজে নিজের জন্য নুল্লা ওস্তা আবেদন করেন না। ইতালির ভবিষ্যৎ নিয়োগকর্তা, অনুমোদিত প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ সংগঠন আবেদন শুরু করে। কর্মীর পরিচয়, চাকরির ধরন, চুক্তির শর্ত ও থাকার ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে হয়। অমৌসুমি চাকরির ক্ষেত্রে ইতালিতে উপযুক্ত কর্মী পাওয়া যাচ্ছে কি না, সেটিও নিয়োগকর্তাকে যাচাই করতে হতে পারে।

কোন কোন খাতে ২০২৬ সালে সুযোগ আছে

অমৌসুমি কাজের অনুমোদিত খাতের মধ্যে কৃষি, বন ও মৎস্য, খাদ্য ও পানীয় শিল্প, বস্ত্র ও পোশাক, ধাতু শিল্প, নির্মাণ, পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, আবাসন ও রেস্তোরাঁ সেবা, পর্যটন, পরিবহন, লজিস্টিকস ও গুদামজাতকরণ, সহায়তামূলক সেবা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সহায়তা রয়েছে। মৌসুমি কাজ প্রধানত কৃষি ও পর্যটনে কেন্দ্রীভূত। বাংলাদেশ নির্ধারিত উৎসদেশের তালিকায় থাকায় যোগ্য নিয়োগকর্তা ও প্রযোজ্য কোটা থাকলে বাংলাদেশি কর্মী এসব পথে বিবেচিত হতে পারেন।

ক্লিক ডে শেষ হলেও ২০২৬ সালের আবেদন পুরোপুরি বন্ধ নয়

২০২৬ সালের প্রধান ক্লিক ডে ছিল ১২ জানুয়ারি কৃষি মৌসুমি কাজ, ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যটন মৌসুমি কাজ, ১৬ ফেব্রুয়ারি অমৌসুমি কাজ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক সহায়তা খাতের জন্য। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কোটায় জায়গা থাকলে আবেদন ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জমা দেওয়া যেতে পারে। তবে আগে জমা পড়া আবেদনে কোটা পূর্ণ হয়ে গেলে পরের আবেদন অগ্রসর নাও হতে পারে।

বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য অতিরিক্ত যাচাই

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার আবেদনে ইতালির কর্তৃপক্ষ বাড়তি যাচাই করে। ২০২৬ সালের নির্দেশনায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মরক্কোর কর্মীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক মতামত এবং শ্রম পরিদর্শন কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক যাচাই প্রয়োজন। ফলে শুধু সময় পার হলেই নুল্লা ওস্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত ধরে নেওয়া যায় না। নিয়োগকর্তার সক্ষমতা, চাকরির বাস্তবতা ও জমা দেওয়া তথ্যের সামঞ্জস্য এখানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

নুল্লা ওস্তা পাওয়ার পর কী করবেন

নুল্লা ওস্তা ইতালিতে নির্দিষ্ট কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদন, কিন্তু এটি ভিসা নয়। ইস্যু হওয়ার পর নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, পাসপোর্টের তথ্য এবং নিয়োগকর্তার তথ্য মিলিয়ে দেখুন। বাংলাদেশে বর্তমানে ডিক্রেতো ফ্লুসির অধীনে ২২ অক্টোবর ২০২৪-এর পর ইস্যু হওয়া বৈধ নুল্লা ওস্তার ধারকদের জন্য ভিএফএস গ্লোবালের নির্দিষ্ট ওয়েবফর্ম ব্যবস্থা আছে। তার আগের কিছু নুল্লা ওস্তা আলাদা যাচাইয়ের আওতায় থাকতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদন করার সঠিক পথ

ইতালির কাজের ভিসা বাংলাদেশে অনুমোদিত ভিএফএস গ্লোবাল ব্যবস্থার মাধ্যমে জমা হয়। ২০২৬ সালের নির্দেশনায় কাজের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ওয়েবফর্ম যাচাইয়ের মাধ্যমে এবং অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং বিনামূল্যে বলা হয়েছে। তাই “অ্যাপয়েন্টমেন্ট কিনে দেওয়া” বা দূতাবাসে বিশেষ যোগাযোগের নামে অর্থ চাওয়া হলে সতর্ক থাকুন। নিজের ফোন ও ইমেইল সচল রাখুন এবং কেবল অফিসিয়াল বার্তা অনুসরণ করুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কী কী

ঢাকায় ইতালি দূতাবাসের ২০২৬ সালের চেকলিস্টে মূল ডি টাইপ ভিসা আবেদন ফর্ম, সাম্প্রতিক একই ধরনের দুই কপি ছবি, বৈধ পাসপোর্ট ও জীবনীসংক্রান্ত পাতার কপি এবং এসইউআই থেকে নিয়োগকর্তাকে পাঠানো নুল্লা ওস্তা ইস্যুর যোগাযোগের কপি রয়েছে। পাসপোর্টের মেয়াদ আবেদন তারিখ থেকে অন্তত ১৮ মাস এবং অন্তত দুটি খালি ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট ভিসা উপধারায় অতিরিক্ত সনদ লাগতে পারে এবং দূতাবাস আরও নথি চাইতে পারে।

নিয়োগকর্তার ১৫ দিনের নিশ্চিতকরণ ধাপ

ভিসা যাচাইয়ের একটি পর্যায় শেষ হলে ইতালির এসইউআই নিয়োগকর্তার কাছে কর্মী নিয়োগের আগ্রহ পুনরায় নিশ্চিত করতে পারে। বর্তমান নিয়মে নিয়োগকর্তাকে ১৫ দিনের মধ্যে নিশ্চিতকরণ দিতে হয়। সময়মতো সাড়া না দিলে নুল্লা ওস্তা প্রত্যাহার হয়ে প্রক্রিয়া থেমে যেতে পারে। তাই ভিসা জমা দেওয়ার পরও নিয়োগকর্তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা জরুরি।

ইতালিতে পৌঁছানোর পর প্রথম কাজ

ভিসা পাওয়া প্রক্রিয়ার শেষ নয়। ইতালিতে পৌঁছে নিয়োগকর্তার সঙ্গে কনত্রাত্তো দি সোজর্নো সম্পন্ন করে বসবাসের অনুমতি বা পারমেসো দি সোজর্নোর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে হয়। বর্তমান বিধানে নিয়োগকর্তা ও কর্মীকে প্রবেশের ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চুক্তি স্বাক্ষর ও এসইউআইতে পাঠানোর সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নির্দেশিকায় বসবাসের অনুমতি আবেদন দ্রুত, সাধারণভাবে আট দিনের মধ্যে শুরু করার কথা আছে। তাই প্রথম সপ্তাহেই প্রয়োজনীয় ধাপ শুরু করা নিরাপদ।

দালাল ও ভুয়া চাকরির অফার চেনার উপায়

“আগে পুরো টাকা দিন, পরে কোম্পানি দেখানো হবে”, “নুল্লা ওস্তা আছে কিন্তু নিয়োগকর্তার সঙ্গে কথা বলা যাবে না” বা “দূতাবাসে পরিচিত লোক দিয়ে ভিসা নিশ্চিত” ধরনের দাবি বড় সতর্কসংকেত। বৈধ প্রক্রিয়ায় নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের স্থান, পদের ধরন, চুক্তির শর্ত ও নুল্লা ওস্তার তথ্য পরস্পরের সঙ্গে মিলবে। বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার আগে কাগজের ছবি নয়, নিয়োগকর্তা ও চাকরির বাস্তবতা স্বাধীনভাবে যাচাই করুন।

ইতালি ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ইতালির ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করা যায়?

সাধারণ চাকরিভিত্তিক পথে আগে দূতাবাসে ভিসা আবেদন করা যায় না। প্রথমে ইতালিতে বৈধ নিয়োগকর্তা থাকতে হয় এবং তিনি নুল্লা ওস্তার আবেদন করেন। সেটি অনুমোদিত ও প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশে ভিসা আবেদন ধাপে যাওয়া যায়।

২. নুল্লা ওস্তা থাকলেই কি ভিসা নিশ্চিত?

না। নুল্লা ওস্তা গুরুত্বপূর্ণ কাজের অনুমোদন হলেও দূতাবাস পরিচয়, নথি, চাকরির বাস্তবতা ও নিরাপত্তা যাচাই করে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাইও আছে। নথির অসামঞ্জস্য বা নিয়োগকর্তা সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে ভিসা নাও হতে পারে।

৩. ২০২৬ সালে বাংলাদেশিরা কোন ধরনের কাজে যেতে পারেন?

প্রযোজ্য কোটায় বাংলাদেশিরা মৌসুমি ও অমৌসুমি উভয় পথেই বিবেচিত হতে পারেন। নির্মাণ, খাদ্য, পোশাক, বাণিজ্য, আবাসন ও রেস্তোরাঁ, পর্যটন, পরিবহন, লজিস্টিকস, স্বাস্থ্য ও সহায়তা সেবাসহ বিভিন্ন খাত আছে। মৌসুমি কাজ প্রধানত কৃষি ও পর্যটনে।

৪. ক্লিক ডে মিস করলে কি ২০২৬ সালে আর সুযোগ নেই?

অবশ্যই এমন নয়। কোটায় জায়গা থাকলে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে ক্লিক ডেতে আগে জমা পড়া আবেদনে অনেক কোটা পূর্ণ হতে পারে, তাই বাস্তব সুযোগ নির্ভর করবে অবশিষ্ট কোটার ওপর।

৫. ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়?

ভিএফএস গ্লোবালের নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং বিনামূল্যে। ভিসা আবেদন ও প্রযোজ্য সেবার আনুষ্ঠানিক ফি আলাদা হতে পারে, কিন্তু শুধু অ্যাপয়েন্টমেন্ট এনে দেওয়ার নামে তৃতীয় পক্ষকে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া উচিত নয়।

৬. পাসপোর্টের কতদিন মেয়াদ থাকতে হবে?

ঢাকায় ইতালি দূতাবাসের বর্তমান কাজের ভিসা চেকলিস্ট অনুযায়ী আবেদন করার সময় পাসপোর্টের অবশিষ্ট মেয়াদ অন্তত ১৮ মাস এবং অন্তত দুটি খালি ভিসা পৃষ্ঠা থাকা উচিত। পাসপোর্টের তথ্য নুল্লা ওস্তার সঙ্গে হুবহু মেলানোও জরুরি।

৭. ভিসা জমা দেওয়ার পর নিয়োগকর্তার কোনো কাজ থাকে?

হ্যাঁ। ভিসা যাচাইয়ের একটি পর্যায়ের পর নিয়োগকর্তাকে এসইউআই থেকে চাকরির আগ্রহ পুনরায় নিশ্চিত করতে বলা হতে পারে। এর জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা রয়েছে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার পরও নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ সক্রিয় রাখা দরকার।

৮. দালাল ছাড়া কি ইতালির ওয়ার্ক ভিসা করা সম্ভব?

বৈধ প্রক্রিয়ায় কোনো অননুমোদিত দালাল বাধ্যতামূলক নয়। আসল প্রয়োজন হলো বৈধ নিয়োগকর্তা, সঠিক নুল্লা ওস্তা, প্রযোজ্য কোটা এবং অনুমোদিত ভিসা জমা প্রক্রিয়া। প্রয়োজনে নথিপত্রে পেশাদার সহায়তা নেওয়া যায়, কিন্তু কেউ ভিসা নিশ্চিত করতে পারে না।

৯. ইতালিতে পৌঁছে কি সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করা যায়?

বৈধ প্রবেশের পর কর্মসংস্থান প্রক্রিয়া এগোতে পারে, তবে নিয়োগকর্তার বাধ্যতামূলক নিয়োগ যোগাযোগ, চুক্তি ও বসবাসের অনুমতির ধাপ ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। পৌঁছানোর পর প্রথম দিনগুলোতেই নিয়োগকর্তা ও স্থানীয় অভিবাসন দপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

১০. ওয়ার্ক ভিসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা পরীক্ষা কী?

তিনটি বিষয় একসঙ্গে যাচাই করুন: নিয়োগকর্তা বাস্তবে আছে কি না, কাজের প্রস্তাব যুক্তিসঙ্গত কি না এবং নুল্লা ওস্তার তথ্য আপনার পরিচয় ও চাকরির তথ্যের সঙ্গে মেলে কি না। শুধু একটি পিডিএফ বা স্ক্রিনশট দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সম্ভব হলে নিয়োগকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

উপসংহার

ইতালি ওয়ার্ক ভিসায় যাওয়ার সঠিক উপায় হলো বৈধ নিয়োগকর্তা দিয়ে শুরু করা, প্রযোজ্য কোটায় নুল্লা ওস্তা সম্পন্ন করা, বাংলাদেশে অনুমোদিত ভিএফএস ব্যবস্থায় ভিসা আবেদন করা এবং ইতালিতে পৌঁছে চুক্তি ও বসবাসের অনুমতির কাজ দ্রুত শেষ করা। ২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের সুযোগ আছে, তবে বাড়তি যাচাইও আছে। তাই তাড়াহুড়ো করে অর্থ দেওয়ার চেয়ে নিয়োগকর্তা, নথি ও সরকারি প্রক্রিয়া যাচাই করাই নিরাপদ পথ।

1 thought on “ইতালি ওয়ার্ক ভিসায় যাওয়ার সঠিক উপায়”

  1. Pingback: ইউরোপে কাজের জন্য ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার উপায় - BD GOVT JOB

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top